• Meni 1
  • Meni 1
  • Meni 1
  • Meni 1
  • Meni 1

রাজশাহী: বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

গোদাগাড়ীতে বোরো ধানের চারা স্বাভাবিক

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আগাছানাশক বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্থ বোরো ধানের চারা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যা কিছুদিন আগে এসিআই কোম্পানীর জাম্ব নামের আগাছা নাশক বিষ প্রয়োগের ফলে চারাগুলো দুর্বল হয়ে হলদে রং ধারণ করে।
গোদাগাড়ীর গোগ্রাম ইউনিয়নের জগপুর-বিড়ইল এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঐ কোম্পানীর লোকজন ও কৃষি অফিসারকে জানালে তারা এসে ধানের ক্ষেতগুলো পরিদর্শন করেন এবং জমিতে পানি সেচ, সালফক্স, ফ্লোরাসহ অন্যান্য ওষুধ প্রয়োগ করতে বলেন। এগুলো দেয়ার পর ধানের সবুজ চেহারা ফিরে এসেছে এবং গোছ নিতে শুরু করেছে।
সোমবার দুপুরে সরোজমিনে আক্রান্ত ক্ষেতে দেখা যায়, ধানের আবাদ স্বাভাবিক হচ্ছে। সেখানে জগপুর-বিড়ইল এলাকার কৃষক মুন্টুর ছেলে ফারুক, আনসারসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, কোম্পানীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিঘা প্রতি এক কেজি সালফক্স, ১’শ গ্রাম ফ্লোরা ফ্রি দেয়। জমিতে প্রয়োগের পরে যে সমস্যা হয়েছিল তা এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। কুরশীসহ গোছ নিতে শুরু করেছে। তবে পানি সেচ ও সারও বেশী দিতে হয়েছে। ফলন একটু কম হওয়ার আশংকা করছেন অনেকে। কৃষকদের দাবী, গরীব কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও অন্যান্য ঔষধ দিয়ে তাদের সহযোগীতা করা হোক।
এদিকে জগপুর গ্রামের ডিলার এবাদুল জানান, কৃষকদের বিষের মাত্রা বেশী দেয়ার কারণে এবং বিষ দেয়ার সময় ও পরে কারো কারো জমিতে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। যেটা অন্য কোন আগাছানাশক বিষ দিলেও সাধারনত ধানের চারা এরকমই হয়।
গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার ফিরোজ জানান, তার ব্লকের ৫০/৬০ বিঘা জমিতে আগাছানাশক দুর্বা, শ্যামা ঘাস মারার বিষ প্রয়োগের কারণে কৃষকদের ধানের চারার ক্ষতি হয়েছিল। তাদের জমি পরিদর্শন করে পরামর্শ দেয়া হয়। ডোজ বেশী এবং সময়মত না দেয়ায় ধানগাছগুলো স্বাভাবিক হতে সময় নেয়, তবে কোন জমির ধানের চারা মরেনি। উৎপাদনেও তেমন ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি।
এসিআই কোম্পানীর রাজশাহী টেরিটরি এক্সিকিউটিভ অফিসার সারওয়ার ফিটু বলেন, সব এলাকায় নয়, শুধু ঐ এলাকায় সময়মত কৃষকের জমির পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পানি না থাকার কারণে এবং বিরুপ আবহাওয়া থাকায় বোরো ক্ষেতের ধানের চারার সাময়িক ক্ষতি হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে তাদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিছুটা সময় লাগলেও আবার নতুন করে ধানের চারার কুরশি গজাতে শুরু করেছে।